Ekti protibedan Bartoman samay e I mean jekhan theke RG kar hospital er ghotonati samne eseche sabai Mane janomat nirbiseshe Nana vabe protibadi hoye utheche, keu reel baniye, ba keu palakkad niye, keu rajnaitik fayda tolar tagide, Nana vabe..still jakhon rat kore (9.30pm -10 pm) aami majhe majhe bari firi takhon rastar lokgulo jara ghure beray takale mone hay jeno gile khabe,tarao abar protibad o korche ( jaderke most of the time amar kukur er mato mone hay jouno taronar tagide, (sadipan chattopadhay ekjon eminent writer onar most of the story te manusher Prem ke kukurer premer sange tulona korechen)) , sudhu raat i ba keno, kono meye jodi ekta shorts pore, ba sleepless dress pore din dupur belao rastay beroy takhono dekhechi most of the purusher se Kishore i hok, jubok i hok, adhburo hok ba ghater morai hok tader o ultimately jouno sursuri shuru hoye jay....asole prblm ta meyeder dress e noy, prblm ta holo jakhon amader samaje mohiyoshi mayera maane seo ekjon m...
পোস্টগুলি
ধর্ম যখন প্রেম
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
গাড়ি থেকে নেমে একটু দূরে আমি একটা দোকানে গেলাম কিছু মুখোরোচক খাবার আর জলের বোতল কিনবো বলে। দোকানে গিয়ে দেখলাম আমারই পরিচিত আমাদের গ্রামের একটি মেয়ে, শিউলী দি। আমরা একই স্কুল এ পড়তাম। শিউলী দি আমার থেকে বছর পাঁচকের সিনিয়র ছিল।বয়সের দিক থেকে আরো একটু বড়ই হবে, শুনেছিলাম একটা ক্লাস এ ফেল করেছিল দুবার, যদিও তারপর থেকে মোটামুটি ভালো রেজাল্ট করে পাশ করে। মাধ্যমিক এ সেকেন্ড ডিভিশন পেয়ে পাশ করেছিল। আমি যখন সিক্স এ পড়তাম তখন শিউলী দি পাশ করে স্কুল ছেড়েছিল। তারপর আর কোনোদিন দেখা হয় নি। আজ প্রায় বারো বছর পর দেখা তাও আবার এই খানে ! বললাম - আরে তুমি এখানে কেমন আছো? এটা কি তোমার দোকান? শিউলী দি বললো - হ্যাঁ রে আমাদের দোকান, এই আমার হাজব্যান্ড হাবিবুল রহমান। তুই কেমন আছিস? আমি এতক্ষন পাশে বসা যুবক কে লক্ষ্য করিনি। তাকিয়ে দেখলাম একটি মুসলিম যুবক কিছু জিনিসপত্র গোছগাছ করছে। ওর হাজব্যান্ড এর নামটা শুনে আমি একটু চমকে গেলাম কেননা যতদিন গ্রামে থাকতাম লোকমুখে শিউলিদির সম্পর্কে অন্য কথা শুনেছিলাম। আমার চমকানো মুখে হাসি ফুটিয়ে ওর হাজব্যান্ড এর সাথে পরিচয় বিনিময় করে শিউলী দি কে বললাম ...
স্বপ্ন ছুট
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
হন্তদন্ত হয়ে বিপাশা ঢুকলো ডাক্তারের চেম্বারে। সাইকিয়াট্রিস্ট এর কাছে এসেছে বিপাশা। জানতে এসেছে সে আদৌ মানসিক রোগে আক্রান্ত কিনা। একুশ বছর বয়স ওর। আশেপাশের অনেক লোক, কলেজের অনেক সহপাঠী বলে " তোর মাথার গন্ডগোল আছে" । এসব শুনে শুনে বিপাশা verify করতে এসেছে সত্যি কি তার মাথায় গন্ডগোল! বরং যারা এসব বলে বিপাশার মনে হয় তারাই প্রকৃত বিকৃত মস্তিষ্কের। সমস্যা হলো বিপাশা অন্যদের তালে তাল মিলিয়ে চলে না।অন্ধের মত সবকিছু মেনে নেয় না। সকলের মধ্যে থেকেও যেন তাদের মধ্যে থাকে না। ক্ষ্যাপাটে, ঠোঁটকাটা, কারো কিছু পছন্দ না হলে মুখের ওপর বলে দেয় সে যতই বড়বাবু হোক না কেনো। কোনও কাজ হাসিল করতে কাউকে তেল দিয়েও চলে না। মা বাবার একমাত্র মেয়ে বিপাশা। নিম্ন মধ্যবিত্ত ফ্যামিলি তে বড় হলেও সে কোনো গোঁড়ামি র শিক্ষা পায়নি। আর পাঁচটা পরিবারের মেয়েদের যেসব সামাজিক বাধানিষেধ এর বেড়াজালে আটকে রাখা হয় ওর ক্ষেত্রে তা হয়নি। এমনকি ওর ঠাকুরদা ঠাকুমা ও ওকে শেখায়নি এটা করতে নেই, ওটা করতে নেই। সাধারণত পরিবারে ঠাকুমা থাকলে তিনি অনেকরকম আচরবিচারের পক্ষে থাকেন, কিন্তু বিপাশার ক্ষেত্রে তা হয়নি। ওকে কোনো...
অন্বেষণ
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
অফিস থেকে ফিরে জেনিভা এক কাপ চা নিয়ে বসলো বারান্দায়, বারান্দা থেকে বিকেলের সূর্যাস্ত দেখতে দেখতে চায়ের কাপ এ চুমুক দিতে বেশ লাগে তার। গোধূলির মায়াবী এই আলো রোজ দেখেও যেনো ওর কাছে পুরানো লাগে না।আসলে এখানে বসে চা খেতে খেতে অনেক রকমের চিন্তার চোরাস্রোত এ ভেসে যায় সে।আজ তার ভাবনায় এলো আসলে জীবন মানে কি!? জীবন মানে কি শুধুই মোটা মাইনের চাকরি! সেটেল্ড লাইফ! সন্তান এর প্রতি দায়িত্ব পালন করা ! না আরো অন্য কিছু! না এইসব কিছু নিয়েই জীবন! তাই যদি হয় তাহলে উপরের উল্লেখিত সবকিছু পেয়েও কেনো তার এই নিসঙ্গতা কেনো এই একাকীত্ব! এই নিসঙ্গতা একাকিত্ব শুধু যে একমাত্র তার তা কিন্তু নয়, চারিপাশের যে সব মানুষকে সে জানে তারাও বলতে গেলে একা,সব পেয়েও একটা শূন্যতার মধ্যে বেঁচে থাকা টাই যেনো অভ্যেস এ দাঁড়িয়ে গেছে। জীবনের হাফ সেঞ্চুরি তে এখন জেনিভা, সন্তান বিদেশে পড়াশুনা করছে, সব বাবা মা চান তার সন্তান যেন সুপ্রতি্ঠিত হয়, জেনিভা ও তাই চেয়েছিল, এবং তার ছেলে একজন ভালো মানুষ ও হয়ে উঠেছে, লেখাপড়া শেষ করে সে দেশে ফিরে আসবে। sucessfull জীবন বলতে যা বোঝায় সবই সে পেয়েছে, তবু কি ...